বাঘায় গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়


স্টাফ রিপোর্টার :
রাজশাহীর বাঘায় শীতের প্রকপ বেড়েছে। ফলে ফুটপাত ও শপিংমল শীত বস্ত্রের দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। জেলার চারঘাট ও বাঘা সীমান্তঘেষা ও নদীতীরবর্তী দু’টি উপজেলা। এ অঞ্চলে শীতের প্রকপ বেড়ে চলেছে। এমাসের শুরু থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। দিনে সুর্যের আলো থাকায় হালকা শীত মনে হলেও রাতে জেঁকে বসছে শীত। ফলে ফুট-পাত সহ বিভিন্ন শপিংমলে গরম পোশাক ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। রাত ৮ টার মধ্যে বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান-পাট বন্ধ করে দিচ্ছেন শীতের পোকপ বৃদ্ধি পাওয়ায়। একাধিক ব্যক্তি জানান, নদী তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে শীত বেশী পড়ে। তবে শীত মৌসুমে বেশি কষ্ট ভোগ করেন উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরাঞ্চলের মানুষ। নদী তীরবর্তী ও ফাকা এলাকা হওয়ায় তারা শীত মৌসুমে বেশী শীত অনুভব করেন।এ ক্ষেত্রে বেশী কষ্ট করতে দেখা যায় শিশু ও বৃদ্ধদের। শীতের তীব্রতার ফলে পুরো উপজেলা ব্যাপী দৈনন্দিন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। আগামী মাস থেকে শীতের প্রকপ আরো বাড়তে পারে বলে অনেকেই আশংকা করছেন।এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে বাঘা উপজেলা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মাজার ও শাহী মসজিদ এলাকায় অবস্থিত শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশা-পাশি মধ্য বিত্তবানরাও ছুটছেন বাঘা মাজার এলাকায় অবস্থিত (ফুটপাত) শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে। আর উচ্চ বিত্তরা ছুটছেন বড়-বড় সপিংমল-সহ শহরের বস্ত্র বিতান গুলোতে। শীত বস্ত্র কিনতে আসা পৌর এলাকার বানিয়া পাড়া গ্রামের এমদাদুল হক,চন্ডিপুর গ্রামের রয়েজ উদ্দিনখায়ের হাট গ্রামের শফিকুল,উপজেলার বারখাদিয়া গ্রামের জুবান আলী,মনিগ্রাম এলাকার শাহিদা বেগম ও বাউসা গ্রামের হাসিনা বেওয়া বলেন, শীত বৃদ্ধির সাথে- সাথে শীতবস্ত্রের দামও বেড়ে যায়। তাই এ বছর শীতের শুরুই গরম কাপড় কিনতে এসেছি। তারা বলেন,গত বারের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম বেশী। কেনা-কাটা করতে বাজেট ঘারতি হচ্ছে। অন্য দিকে লেপ-তোষকের দোকান গুলোতে পূর্বের আগের তুলনায় গরম কাপক বেশি বিক্রী হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শর্টলিংকঃ