বাঘায় আমের মূকুলে মৌ-মৌ গন্ধে মুখরিত


স্টাফ রিপোর্টার :
“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে-।” বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাতীয় সংগীতের এই লাইনটি যেন আজ বাস্তবে টাজশাহীর বাঘায় আমগাছের মুকুলের মৌ মৌ ঘ্রাণে আকাশে বাতাসে যেন এখন চারিদিক মুখরিত।
ফুলে ফুলে ভরে গেছে বাগানগুলো। মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছিরা। বাতাসে মুকুলের মৌ-মৌ সুবাস বইছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে এখন আমের মুকুল শোভা পাচ্ছে।
ইতোমধ্যেই কাক্ষিত ফলনের আশায় গত দেড় মাস থেকে বাগান মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে আমের মুকুলে মৌমাছির গুঞ্জন।
ফাগুনের শেষে স্নিগ্ধতার মাঝেও শোভা ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি মুকুলের।
উপজেলার বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা যায়, বাতাসে মুকুলের সুবাসিত ঘ্রাণ।
সেই সঙ্গে বিদায় নিচ্ছে শীতকাল।
দুইটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বাঘা উপজেলা। উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান জানান, উপজেলায়-৮ হাজার ৩ শত ৭০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। আম গাছের সংখ্যা রয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার ৩ শত ৮০ টি। আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে আমের ফলন। উপজেলায় এবার আমের অফ ইয়ার ফলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না বলে ধারনা করা হচ্ছে। তার পরেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন আম চাষি ও বাগান মালিকরা। বাগান মালিকরা জানায়,আগাম মুকুলে তারা অনেক খুশি। এই মুকুল টিকে থাকলে এবার আমের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।
বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান আরো বলেন, আম গাছের মুকুলের মৌ-মৌ ঘ্রাণে আকাশে বাতাসে যেনো এখন চারিদিক মুখরিত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফলন ভালো হবে।
তিনি আরো বলেন, বাণিজ্যেক ভাবে প্রতি বৎসরের ন্যায় আমাদের উপজেলাতে আমের বাগান করছেন অনেকেই। এতে বিদেশে আম রপ্তানি করে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

শর্টলিংকঃ