প্রথম বিয়ের কথায় ব্যাকফুটে প্রেমিক!অনড় প্রেমিকা!


নাটোর প্রতিনিধি :
ছেলে-মেয়ে উভয়েই পাশাপাশি অফিসে চাকুরীর সুবাদে পরিচয়।এরপর প্রেম। পারিবারিকভাবে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের বাবা ওই মেয়েকে দেখে বিয়ের আশ্বাস দেন। এরপর তাদের ঘনিষ্ঠতা আরো বাড়ে। এক পর্যায়ে প্রেমিকা তাকে বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপাচাপি করলে হঠাৎ চাকুরী ছেড়ে বাড়িতে চলে যায় ছেলে। পরিস্থিতি অনুমান করে ছেলের বাড়িতে পৌছে মেয়েটি। তৎক্ষণাৎ বাড়ি থেকে লাপাত্তা ওই প্রেমিকসহ তার বাবা। এরপর থেকে গত তিনদিন বিয়ের দাবীতে ছেলের বাড়িতেই অবস্থান করছেন মেয়েটি।
ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর গ্রামে।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি আবু সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাপাত্তা ওই প্রেমিকের নাম রায়হান আলী ওরফে শুভ। সে ওই গ্রামের
জুলহাস উদ্দিনের ছেলে।
অবস্থান নেয়া ওই প্রেমিকা জানান,
রায়হান পাবনার ঈশ্বরদীর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকুরী করতো। আর তিনি চাকুরী করতেন পাশের ইপিজেডে। এক সময় তাদের মধ্যে পরিচয় ও পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
কিছুদিন পর রায়হানের বাবা তার বাড়িতে গিয়ে ছয় মাস পর বিয়ের আশ্বাসও দেন।
এরপর রায়হান ঈশ্বরদীতে একটি বাসা ভাড়া করে দেন। মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে তার সাথে থাকতো রায়হান ।
এদিকে ছয় মাস পার হলে রায়হানকে বিয়ের জন্য চাপ দেন তিনি। কিন্তু তাকে বিয়ে না করে বরং হঠাৎ
রায়হান চাকরি ছেড়ে বাড়িতে চলে আসে।
পরবর্তীতে বিয়ের কথা বললেই নিজেদের একান্তে সময় কাটানোর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় রায়হান। কোনো উপায় না পেয়ে তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় রায়হানের বাড়িতে অবস্থান নিলে রায়হান ও তার বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রায়হানের এক স্বজন বলেন, আমরা প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিয়ে বিয়ে করাতে রাজি ছিলাম,। কিন্তু মেয়েটির আগে একবার বিয়ে হয়েছে শুনে পিছিয়ে এসেছি।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, রায়হানকে প্রথম বিয়ের কথা জানিয়েছি,। সবকিছু জেনেই সে আমার সাথে সম্পর্ক করেছে।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি আবু সিদ্দিক জানান, বিষয়টি শুনেছি,। তবে তারা ঈশ্বরদী থানা এলাকায় থাকাকালে সব ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে সেখানেই মামলা করার কথা বলেছি।

শর্টলিংকঃ